NoteTube

প্রাণিজগতের ৯ টি পর্ব শেষ করো মাত্র ১৮ মিনিটে । Topic Biology Day 03
21:35

প্রাণিজগতের ৯ টি পর্ব শেষ করো মাত্র ১৮ মিনিটে । Topic Biology Day 03

Tasdid Islam Turab

9 chapters6 takeaways24 key terms9 questions

Overview

এই ভিডিওটি প্রাণিজগতের প্রথম নয়টি পর্বের বৈশিষ্ট্য, উদাহরণ এবং মনে রাখার কৌশল নিয়ে আলোচনা করে। পরিফেরা থেকে শুরু করে কর্ডাটা পর্যন্ত প্রতিটি পর্বের মূল ধারণাগুলো সহজ ভাষায় ব্যাখ্যা করা হয়েছে। নতুন পাঠ্যক্রমের উপর ভিত্তি করে তৈরি এই লেকচারে, প্রতিটি পর্বের স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্য যেমন ছিদ্র, নালীতন্ত্র, শিখা কোষ, ম্যান্টল, সন্ধিযুক্ত উপাঙ্গ এবং নোটোকর্ড ইত্যাদি তুলে ধরা হয়েছে। ভিডিওটি শিক্ষার্থীদের প্রাণিবিজ্ঞানের এই গুরুত্বপূর্ণ অংশটি সহজে বুঝতে এবং মনে রাখতে সাহায্য করার জন্য তৈরি করা হয়েছে।

How was this?

Save this permanently with flashcards, quizzes, and AI chat

Chapters

  • পরিফেরা পর্বের প্রাণীদের ছিদ্রাল প্রাণী বা স্পঞ্জ বলা হয় কারণ এদের দেহে অসংখ্য ছিদ্র (অস্টিয়া) থাকে।
  • পানি প্রবেশের ক্ষুদ্র ছিদ্রগুলোকে অস্টিয়া এবং পানি বের হওয়ার বড় ছিদ্রকে অস্কুলাম বলা হয়।
  • স্পঞ্জের মাঝখানের ফাঁকা স্থানকে স্পঞ্জোসিল বলে এবং এদের দেহে নালীতন্ত্র (Water Canal System) থাকে।
  • দেহে স্পিকিউল (কাটা) এবং স্পঞ্জিন নামক জৈব তন্তু থাকে। কোয়ানোসাইট কোষ পানি প্রবাহে সাহায্য করে।
  • দেহের স্তরগুলো হলো পিনাকোডার্ম (বাইরে), মেজোহিল (মাঝে) এবং কোয়ানোডার্ম (ভিতরে)।
পরিফেরা পর্বের সরল গঠন এবং নালীতন্ত্রের কার্যকারিতা প্রাণিদেহে পানি প্রবাহ ও পুষ্টি গ্রহণের প্রাথমিক ধারণা দেয়।
স্পঞ্জ (যেমন মটকা স্পঞ্জ, দড়ি স্পঞ্জ, মিঠা পানির স্পঞ্জ)।
  • নিডারিয়া পর্বের প্রাণীদের সমুদ্রের ফুল বলা হয় এবং এরা সামুদ্রিক রেইন ফরেস্ট তৈরি করে।
  • এরা দ্বিস্তরী প্রাণী, যাদের দেহ এপিডার্মিস ও গ্যাস্ট্রোডার্মিস নামক দুটি স্তর এবং এদের মাঝে মেসোগ্লিয়া থাকে।
  • জীবনে পলিপ (স্থির) ও মেডুসা (মুক্ত সাঁতারু) এই দুটি দশা দেখা যায়, যা পলিমরফিজম (বহুরূপিতা) নামে পরিচিত।
  • মেটাজেনেসিস প্রক্রিয়ায় এদের জীবনে যৌন ও অযৌন জননের পর্যায়ক্রমিক আবর্তন ঘটে।
নিডারিয়া পর্বের দ্বিস্তরী গঠন, পলিপ ও মেডুসা দশা এবং মেটাজেনেসিস প্রক্রিয়া প্রাণিদেহের জটিলতা ও জীবনচক্রের বিবর্তন বুঝতে সাহায্য করে।
হাইড্রা, জেলিফিশ, সাগর কুসুম, সমুদ্র পালক।
  • প্ল্যাটিহেলমিনথিস পর্বের প্রাণীদের চ্যাপ্টা কৃমি বা ফিতা কৃমি বলা হয় কারণ এদের দেহ চ্যাপ্টা।
  • এদের দেহে শিখা কোষ (Flame Cell) থাকে যা রেচন অঙ্গ হিসেবে কাজ করে।
  • অনেক প্রজাতি পরজীবী, এদের দেহে চোষক (Sucker) বা হুক (Hook) থাকে যা খাদ্য গ্রহণ ও আটকে থাকতে সাহায্য করে।
  • এদের রক্ত সংবহনতন্ত্র ও শ্বসনতন্ত্র নেই, শুধুমাত্র রেচননালী থাকে।
  • কিছু প্রজাতি শামুক জ্বর (Schistosomiasis) সৃষ্টি করে।
প্ল্যাটিহেলমিনথিস পর্বের শিখা কোষের মতো বিশেষায়িত রেচন অঙ্গ এবং পরজীবী জীবনযাত্রা প্রাণিদেহের অভিযোজন ও রোগ সৃষ্টি সম্পর্কে ধারণা দেয়।
শূকরের ফিতা কৃমি (Taenia solium), যকৃত কৃমি (Liver fluke), রক্ত কৃমি (Schistosoma mansoni)।
  • নেমাটোডা পর্বের প্রাণীদের গোল কৃমি বা সুতা কৃমি বলা হয় কারণ এদের দেহ লম্বাটে ও নলাকার।
  • এদের দেহে নলের ভেতর নল (Tube within a tube) ধরনের পৌষ্টিকতন্ত্র থাকে।
  • যৌন দ্বিরূপতা (Sexual dimorphism) দেখা যায়, অর্থাৎ পুরুষ ও স্ত্রী কৃমি আলাদা।
  • দেহ ইলাস্টিন ও কিউটিকল নির্মিত এবং দুই প্রান্ত সরু ও মাঝখানে মোটা হয়।
  • মাইক্রোফাইলেরিয়া লার্ভা গোদরোগ (Elephantiasis) সৃষ্টি করে।
গোল কৃমির নলাকার পৌষ্টিকতন্ত্র এবং গোদরোগ সৃষ্টিকারী লার্ভা মানব স্বাস্থ্য ও পরজীবী সংক্রমণের প্রক্রিয়া বুঝতে গুরুত্বপূর্ণ।
গোল কৃমি (Ascaris lumbricoides), ফাইলেরিয়াল কৃমি (Wuchereria bancrofti)।
  • মলাস্কা প্রাণীজগতের দ্বিতীয় বৃহত্তম পর্ব, যার মধ্যে শামুক, ঝিনুক, অক্টোপাস ইত্যাদি অন্তর্ভুক্ত।
  • এদের দেহে সাধারণত চুনময় খোলক (Shell) এবং ম্যান্টল নামক আবরণ থাকে।
  • অঙ্কীয় দেশে একটি মাংসল পদ (Foot) থাকে যা চলনে ব্যবহৃত হয়।
  • মুখবিবরে কাইটিন নির্মিত রেডিউলা (Radula) নামক জিহ্বা থাকে যা খাদ্য কাটে।
  • রক্তে হিমোসায়ানিন (Cu-containing) থাকে যা রক্তকে নীল বর্ণ দেয় এবং প্রধান রেচন অঙ্গ হলো মেটানেফ্রিডিয়া।
মলাস্কার খোলক, ম্যান্টল, পদ এবং হিমোসায়ানিনযুক্ত রক্ত প্রাণিদেহের গঠন, রক্ত সংবহন এবং রেচন প্রক্রিয়ার বৈচিত্র্য তুলে ধরে।
শামুক (Gastropoda), ঝিনুক (Bivalvia), অক্টোপাস (Cephalopoda)।
  • অ্যানিলিডা পর্বের প্রাণীদের দেহ অঙ্গুরি বা খণ্ড খণ্ড (Segmented) হয়, তাই এদের অঙ্গুরি মাল বলা হয়।
  • প্রতিটি খণ্ডে নেফ্রিডিয়া নামক রেচন অঙ্গ থাকে।
  • দেহের পাশে প্যারাপোডিয়া (Parapodia) নামক অঙ্গ থাকে যা চলনে সাহায্য করে।
  • এদের বদ্ধ রক্ত সংবহনতন্ত্র (Closed Circulatory System) থাকে, যা মানুষের মতো।
  • রক্তে হিমোগ্লোবিন, হিমোএরিথ্রিন বা ক্লোরোক্রোনিন থাকতে পারে।
অ্যানিলিডার খণ্ডায়ন, নেফ্রিডিয়া রেচন অঙ্গ এবং বদ্ধ রক্ত সংবহনতন্ত্র উন্নত প্রাণিদেহের গঠন ও কার্যকারিতা বোঝার জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
কেঁচো (Earthworm), জোঁক (Leech)।
  • আর্থ্রোপোডা প্রাণীজগতের বৃহত্তম পর্ব, এদের দেহ সন্ধিযুক্ত উপাঙ্গ (Jointed Appendages) যুক্ত।
  • দেহকে মাথা, বক্ষ ও উদর এই তিনটি অঞ্চলে ভাগ করা যায় (ট্যাগমাটাইজেশন)।
  • বহিকঙ্কাল কাইটিন নির্মিত হয় এবং এদের দেহে অ্যান্টেনা ও পুঞ্জাক্ষি (Compound Eye) থাকে।
  • প্রধান রেচন অঙ্গ হলো মালপিজিয়ান নালিকা (Malpighian Tubules)।
  • উদাহরণস্বরূপ মশা, মাছি, তেলাপোকা, মাকড়সা, চিংড়ি ইত্যাদি।
আর্থ্রোপোডার সন্ধিযুক্ত উপাঙ্গ, কাইটিন নির্মিত বহিকঙ্কাল এবং মালপিজিয়ান নালিকা রেচনতন্ত্র প্রাণিদেহের গঠন, চলন এবং অভিযোজনের उत्कृष्ट উদাহরণ।
মশা, মাছি, তেলাপোকা, চিংড়ি, মাকড়সা।
  • একাইনোডার্মাটা পর্বের প্রাণীদের দেহে কাঁটাযুক্ত ত্বক (Spiny Skin) থাকে, তাই এদের কন্টক ত্বক প্রাণী বলা হয়।
  • এরা সবাই সামুদ্রিক এবং এদের দেহ পঞ্চ-অরীয় প্রতিসম (Pentaradial Symmetry) হয়।
  • দেহে মৌখিক তল (Oral) ও বিমৌখিক তল (Aboral) থাকে।
  • পানি সংবহন তন্ত্র (Water Vascular System) এবং নালিকা পদ (Tube Feet) এদের চলন, খাদ্য গ্রহণ ও শ্বসনে সাহায্য করে।
  • উদাহরণস্বরূপ তারা মাছ (Starfish), সমুদ্র শসা (Sea Cucumber)।
একাইনোডার্মাটার পানি সংবহন তন্ত্র এবং নালিকা পদ এদের অনন্য চলন ও অভিযোজন প্রক্রিয়া প্রদর্শন করে, যা অন্যান্য পর্ব থেকে এদের পৃথক করে।
তারা মাছ (Starfish), সমুদ্র শসা (Sea Cucumber), সমুদ্র তারা (Brittle Star)।
  • কর্ডাটা পর্বের প্রাণীদের জীবনে কোনো এক সময় পৃষ্ঠদেশে নোটোকর্ড (Notochord) এবং ফাঁপা স্নায়ুরজ্জু (Hollow Nerve Cord) থাকে।
  • নোটোকর্ড নিরেট হয়, আর স্নায়ুরজ্জু ফাঁপা হয়।
  • এদের ফুলকা ছিদ্র (Pharyngeal Gill Slits) এবং এন্ডোস্টাইল (Endostyle) নামক অংশ থাকতে পারে।
  • এন্ডোস্টাইল পরবর্তীতে থাইরয়েড গ্রন্থিতে রূপান্তরিত হয়।
  • এই পর্বের মধ্যে মাছ, উভচর, সরীসৃপ, পাখি এবং স্তন্যপায়ী প্রাণীরা অন্তর্ভুক্ত।
কর্ডাটা পর্বের নোটোকর্ড, স্নায়ুরজ্জু এবং ফুলকা ছিদ্রের মতো বৈশিষ্ট্যগুলো মেরুদণ্ডী প্রাণীদের বিবর্তন ও বিকাশের ভিত্তি স্থাপন করে।
মাছ, মানুষ, পাখি।

Key takeaways

  1. 1প্রাণীজগতের নয়টি পর্বের ক্রমিক আলোচনা অনুন্নত থেকে উন্নত প্রাণীর বৈশিষ্ট্য বোঝার একটি কাঠামো প্রদান করে।
  2. 2প্রতিটি পর্বের স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্য যেমন ছিদ্র, নালীতন্ত্র, শিখা কোষ, ম্যান্টল, সন্ধিযুক্ত উপাঙ্গ এবং নোটোকর্ড প্রাণিদেহের বৈচিত্র্যময় অভিযোজনকে তুলে ধরে।
  3. 3জলজ প্রাণীদের পানি সংবহন তন্ত্র এবং স্থলজ প্রাণীদের রেচন অঙ্গের মতো বিশেষ অঙ্গগুলো তাদের পরিবেশের সাথে অভিযোজনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
  4. 4প্রাণীজগতের বৃহত্তম পর্ব আর্থ্রোপোডা এবং দ্বিতীয় বৃহত্তম পর্ব মলাস্কা, এদের গঠন ও বৈশিষ্ট্য তুলনামূলকভাবে আলোচনা করা হয়েছে।
  5. 5শিখা কোষ, নেফ্রিডিয়া, মালপিজিয়ান নালিকা এবং মেটানেফ্রিডিয়ার মতো রেচন অঙ্গগুলো বিভিন্ন পর্বের প্রাণীদের বর্জ্য নিষ্কাশন প্রক্রিয়া বুঝতে সাহায্য করে।
  6. 6নোটোকর্ড এবং স্নায়ুরজ্জুর উপস্থিতি কর্ডাটা পর্বের একটি মৌলিক বৈশিষ্ট্য যা মেরুদণ্ডী প্রাণীদের বিকাশের ভিত্তি।

Key terms

PoriferaCnidariaPlatyhelminthesNematodaMolluscaAnnelidaArthropodaEchinodermataChordataঅস্টিয়া (Ostia)অস্কুলাম (Osculum)নালীতন্ত্র (Water Canal System)শিখা কোষ (Flame Cell)মেটাজেনেসিস (Metagenesis)মেন্টল (Mantle)রেডিউলা (Radula)হিমোসায়ানিন (Hemocyanin)মেটানেফ্রিডিয়া (Metanephridia)প্যারাপোডিয়া (Parapodia)মালপিজিয়ান নালিকা (Malpighian Tubules)পানি সংবহন তন্ত্র (Water Vascular System)নালিকা পদ (Tube Feet)নোটোকর্ড (Notochord)স্নায়ুরজ্জু (Nerve Cord)

Test your understanding

  1. 1পরিফেরা পর্বের প্রাণীদের দেহে নালীতন্ত্রের কাজ কী এবং এটি কীভাবে পানি প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করে?
  2. 2নিডারিয়া পর্বের পলিপ ও মেডুসা দশার মধ্যে পার্থক্য কী এবং মেটাজেনেসিস বলতে কী বোঝায়?
  3. 3প্ল্যাটিহেলমিনথিস পর্বের প্রাণীদের শিখা কোষের গঠন ও কাজ ব্যাখ্যা করো এবং এদের পরজীবী জীবনের দুটি অভিযোজন উল্লেখ করো।
  4. 4নেমাটোডা পর্বের প্রাণীদের দেহ নলের ভেতর নল ধরনের পৌষ্টিকতন্ত্র ধারণ করে কেন এবং গোদরোগ সৃষ্টিকারী লার্ভার নাম কী?
  5. 5মলাস্কা পর্বের প্রাণীদের দেহে ম্যান্টল, খোলক এবং রেডিউলার কাজ কী? এদের রক্তে হিমোসায়ানিন থাকার তাৎপর্য কী?
  6. 6অ্যানিলিডা পর্বের প্রাণীদের দেহ খণ্ডায়ন এবং বদ্ধ রক্ত সংবহনতন্ত্রের গুরুত্ব ব্যাখ্যা করো।
  7. 7আর্থ্রোপোডা পর্বের সন্ধিযুক্ত উপাঙ্গ এবং কাইটিন নির্মিত বহিকঙ্কাল এদের জীবনে কী সুবিধা প্রদান করে?
  8. 8একাইনোডার্মাটা পর্বের পানি সংবহন তন্ত্র এবং নালিকা পদ এদের চলন ও খাদ্য গ্রহণে কীভাবে সাহায্য করে?
  9. 9কর্ডাটা পর্বের চারটি প্রধান বৈশিষ্ট্য উল্লেখ করো যা এদের অন্যান্য পর্ব থেকে আলাদা করে।

Turn any lecture into study material

Paste a YouTube URL, PDF, or article. Get flashcards, quizzes, summaries, and AI chat — in seconds.

No credit card required