
B.Ed Entrance 2026 || Radhakrishnan Commission MCQ || Indian Education Commission GU/DU/BU
Digital Assam
Overview
এই ভিডিওটি বিএড প্রবেশিকা পরীক্ষার জন্য ভারতীয় শিক্ষা কমিশনগুলির উপর আলোকপাত করে, বিশেষ করে রাধাকৃষ্ণন কমিশন (১৯৪৮-৪৯) নিয়ে আলোচনা করে। এটি স্বাধীনতার পর প্রথম শিক্ষা কমিশন, যার চেয়ারম্যান ছিলেন ডঃ সর্বপল্লী রাধাকৃষ্ণন। ভিডিওটি কমিশনের উদ্দেশ্য, বিশ্ববিদ্যালয় কোর্সে ভর্তির মান, শিক্ষার মাধ্যম, মহিলাদের শিক্ষা, এবং চরিত্র গঠনে এর গুরুত্ব নিয়ে আলোচনা করে। এছাড়াও, এটি ইউজিসি (বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন) প্রতিষ্ঠার সুপারিশ এবং এর প্রভাব, তিন বছরের ডিগ্রি কোর্স, এবং শিক্ষা সংস্কারের উপর জোর দেয়। ভিডিওটি রাধাকৃষ্ণন কমিশনের মূল সুপারিশগুলি MCQ প্রশ্নের মাধ্যমে ব্যাখ্যা করে, যা শিক্ষার্থীদের ধারণা স্পষ্ট করতে সাহায্য করবে।
Save this permanently with flashcards, quizzes, and AI chat
Chapters
- বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষা কমিশন, যা রাধাকৃষ্ণন কমিশন নামেও পরিচিত, ১৯৪৮ সালের নভেম্বরে ভারত সরকার কর্তৃক নিযুক্ত হয়েছিল।
- কমিশনের চেয়ারম্যান ছিলেন ডঃ সর্বপল্লী রাধাকৃষ্ণন, এবং এই কারণেই এটি রাধাকৃষ্ণন কমিশন নামে পরিচিতি লাভ করে।
- কমিশনটি ১৯৪৯ সালের আগস্ট মাসে তাদের রিপোর্ট জমা দেয়, তাই এটি ১৯৪৮-৪৯ কমিশন নামেও পরিচিত।
- এটি ভারতের স্বাধীনতার পর শিক্ষা ক্ষেত্রে প্রথম কমিশন।
- কমিশনের প্রধান লক্ষ্য ছিল বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার পুনর্গঠন এবং এর মান উন্নয়ন করা, যাতে এটি সমাজের চাহিদা পূরণ করতে পারে।
- বিশ্ববিদ্যালয় কোর্সে ভর্তির জন্য অন্তত ১২ বছরের পড়াশোনা (ইন্টারমিডিয়েট পরীক্ষার পর) সম্পন্ন করার সুপারিশ করা হয়েছিল।
- উচ্চশিক্ষার মাধ্যম হিসেবে আঞ্চলিক ভাষার উপর জোর দেওয়া হয়েছিল, তবে ইংরেজিকে আন্তর্জাতিক যোগাযোগের ভাষা বা লাইব্রেরি ভাষা হিসেবে রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছিল।
- মহিলাদের জন্য পেশাগত শিক্ষার (Professional Education) উপর গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছিল, পুরুষদের সমান সুযোগ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে।
- রাধাকৃষ্ণন কমিশন উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে চরিত্র গঠন (Character Building) এবং নৈতিক বিকাশের উপর সর্বাধিক গুরুত্ব আরোপ করেছিল।
- কমিশন মনে করেছিল যে শিক্ষার মূল উদ্দেশ্য হল শিক্ষার্থীদের মধ্যে বুদ্ধিবৃত্তিক, সামাজিক এবং নৈতিক ক্ষমতা বিকাশ করা, যাতে তারা সমাজের জন্য যোগ্য নেতা হতে পারে।
- পাঠ্যক্রমের সংস্কারের উপর জোর দেওয়া হয়েছিল, যেখানে পেশাগত, বৃত্তিমূলক এবং প্রযুক্তিগত বিষয় অন্তর্ভুক্ত করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছিল।
- গ্রামীণ বিশ্ববিদ্যালয় (Rural Universities) স্থাপনের সুপারিশ করা হয়েছিল, যাতে প্রত্যন্ত অঞ্চলের শিক্ষার্থীরাও উচ্চশিক্ষা লাভ করতে পারে।
- রাধাকৃষ্ণন কমিশন বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (UGC) প্রতিষ্ঠার সুপারিশ করেছিল, যা উচ্চশিক্ষা নিয়ন্ত্রণ ও তহবিল প্রদানের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ সংস্থা।
- ইউজিসি ১৯৫৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল এবং পরবর্তীকালে ১৯৫৬ সালে একটি সংবিধিবদ্ধ সংস্থা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে।
- কমিশন তিন বছরের ডিগ্রি কোর্সের সুপারিশ করেছিল।
- পরীক্ষা পদ্ধতির সংস্কারের উপর জোর দেওয়া হয়েছিল, যেখানে ধারাবাহিক মূল্যায়ন (Continuous Assessment) এবং অবজেক্টিভ টাইপ প্রশ্নপত্রের উপর গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছিল।
Key takeaways
- স্বাধীনতার পর ভারতের উচ্চশিক্ষার ভিত্তি স্থাপনকারী প্রথম কমিশন ছিল রাধাকৃষ্ণন কমিশন।
- এই কমিশন বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার পুনর্গঠন, মান উন্নয়ন এবং শিক্ষার্থীদের চরিত্র গঠনে গুরুত্ব আরোপ করেছিল।
- আঞ্চলিক ভাষার ব্যবহারকে উৎসাহিত করা হয়েছিল, তবে ইংরেজিকে আন্তর্জাতিক যোগাযোগের জন্য অপরিহার্য বলে মনে করা হয়েছিল।
- মহিলাদের জন্য পেশাগত শিক্ষার সমান সুযোগ নিশ্চিত করার উপর জোর দেওয়া হয়েছিল।
- বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (UGC) প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে উচ্চশিক্ষা নিয়ন্ত্রণের একটি কাঠামো তৈরি করা হয়েছিল।
- পরীক্ষা পদ্ধতির সংস্কার এবং ধারাবাহিক মূল্যায়নের উপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছিল।
Key terms
Test your understanding
- স্বাধীনতার পর ভারতে প্রথম শিক্ষা কমিশন কোনটি ছিল এবং এর প্রধান উদ্দেশ্য কী ছিল?
- রাধাকৃষ্ণন কমিশন উচ্চশিক্ষার মাধ্যম হিসেবে কোন ভাষার উপর জোর দিয়েছিল এবং কেন?
- মহিলাদের শিক্ষার ক্ষেত্রে রাধাকৃষ্ণন কমিশনের মূল সুপারিশ কী ছিল?
- বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (UGC) প্রতিষ্ঠার সুপারিশ কোন কমিশন করেছিল এবং এটি কেন গুরুত্বপূর্ণ?
- রাধাকৃষ্ণন কমিশন বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে কোন ধরনের শিক্ষা কাঠামোর সুপারিশ করেছিল?